পাকস্থলীতে খাবারের হজম প্রক্রিয়া বিভিন্ন খাবারের ধরণের ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হয়। কিছু খাবার পাকস্থলীতে দীর্ঘ সময় ধরে থাকে কারণ এগুলো হজম হতে সময় নেয়। সাধারণত বেশি প্রোটিন এবং চর্বি সমৃদ্ধ খাবার পাকস্থলীতে দীর্ঘক্ষণ থাকে।
যেসব খাবার পাকস্থলীতে অনেকক্ষণ থাকে:
- প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার:
- মাংস, বিশেষ করে লাল মাংস (গরু বা খাসির মাংস) পাকস্থলীতে বেশি সময় ধরে থাকে।
- মাছ এবং ডিমও দীর্ঘ সময় ধরে হজম হয়, বিশেষ করে ডিমের সাদা অংশ।
- ডাল জাতীয় খাদ্য (মসুর, মুগ, ছোলা) প্রোটিনের ভালো উৎস এবং হজম হতে সময় লাগে।
- চর্বি সমৃদ্ধ খাবার:
- চর্বিযুক্ত খাবার যেমন ঘি, মাখন, চিজ, ফাস্ট ফুড (পিজা, বার্গার) পাকস্থলীতে অনেকক্ষণ থাকে।
- বাদাম এবং বীজের মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক চর্বি হজম হতে সময় নেয়।
- কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট:
- ভুট্টা, ওটমিল, ব্রাউন রাইস এবং হোলগ্রেইন পাস্তা পাকস্থলীতে অনেকক্ষণ থাকে। এই খাবারগুলো ধীরে ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘক্ষণ শক্তি সরবরাহ করে।
- উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার:
- উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার যেমন শাকসবজি (ব্রকলি, বাঁধাকপি) এবং ফল (আপেল, নাশপাতি) পাকস্থলীতে দীর্ঘ সময় ধরে থাকে কারণ ফাইবার ধীরে হজম হয়।
- গোটা শস্য এবং ডালজাতীয় খাদ্যও ফাইবারের ভালো উৎস, যা পাকস্থলীতে দীর্ঘক্ষণ থাকে।
- দুগ্ধজাত খাবার:
- পূর্ণ ফ্যাটযুক্ত দুধ এবং দই পাকস্থলীতে দীর্ঘক্ষণ ধরে থাকে, বিশেষ করে দইতে থাকা প্রোবায়োটিক হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়।
- চিজ এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার:
করণীয়:
- দীর্ঘক্ষণ পাকস্থলীতে থেকে গেলে অস্বস্তি এড়াতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত।
- ভারী খাবার খাওয়ার পর হালকা ব্যায়াম বা হাঁটা হজমে সহায়ক হতে পারে।
যেসব খাবারে প্রোটিন, চর্বি ও ফাইবার বেশি থাকে সেগুলো পাকস্থলীতে দীর্ঘক্ষণ থেকে যায় এবং ধীরে ধীরে হজম হয়। এ ধরনের
